সেরামকে ১১ মিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজের বরাত কেন্দ্রের, মঙ্গলবারই সরবরাহ শুরু

সেরামকে ১১ মিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজের বরাত কেন্দ্রের, মঙ্গলবারই সরবরাহ শুরু
Image source

পুনের ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউটকে ভ্যাকসিন সরবরাহের বড়সড় বরাত দিল কেন্দ্র সরকার। জানা গিয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটকে ১১ মিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজের বরাত দেওয়া হয়েছে। সেরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে মঙ্গলবারই এই বরাতের সরবরাহ শুরু হবে। ১৬ই জানুয়ারি থেকে দেশ জুড়ে মাস ভ্যাকসিনেশনের কাজ শুরু হচ্ছে। তার আগেই বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেরাম ইনস্টিটিউচের তৈরি কোভিশিল্ড পৌঁছে দিতে চাইছে কেন্দ্র।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রোজেনেকার এই টিকা ভারতে তৈরি করছে সেরাম ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়া (এসআইআই)৷ কেন্দ্রের অনুমোদন মিলতেই দেশবাসীর মনে নতুন করে আশার আলো জেগেছে৷ কিন্তু কত হবে কোভিড টিকার দাম? এসআইআই সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি কোভিড ডোজের দাম পড়বে ২০০ টাকা৷

সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘‘আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে টিকাকরণ কর্মসূচি৷ সবার আগে টিকা দেওয়া হবে কোভিড যোদ্ধাদের৷’’ টিকা তৈরি হওয়ার পর সবার আগে দেশের জনগণকে দেওয়া হবে৷ পরবর্তী ধাপে তা পৌঁছে দেওয়া হবে বিদেশে৷

এদিন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপে ৩কোটিরও বেশি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশ করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকার জন্য গর্বিত। আসল যোদ্ধার মতো কাজ করেছেন তাঁরা। তাঁদের জন্যই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত ভারতে করোনা ছড়াতে পারেনি।

একযোগে কাজ করেছেন প্রত্যেকে। সচেতনতা বজায় রেখেছেন। কেন্দ্রের সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত দেশকে বহু প্রাণহানি থেকে বাঁচিয়েছে। ইতিমধ্যে অবশ্য কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে ১৬ জানুয়ারি অর্থাৎ আগামী সপ্তাহ থেকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাচ্ছে।

শনিবার মোদীর সঙ্গে এক বৈঠকের পর এই ঘোষণা করা হয়। ভারতে ইতিমধ্যেই এমার্জেন্সি অথরাইজেশন বা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে অক্সফোর্ডের ‘কোভ্যাক্সিন’ যা ভারতে সেরাম ইন্সটিটিউটে তৈরি হয়েছে ও ভারত বায়োটেকের তৈরি ‘কোভিশিল্ড।’ ফলে এগুলি যে খুব তাড়াতাড়ি সাধারণ মানুষকে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদন পাবে, এমনটাই আশা করা যাচ্ছে।

কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দেশের মানুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। কিছুদিন আগেই এই দুটি ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। তাই ২০২১ সালের শুরুতেই আত্মনির্ভরতার গতি বেড়েছে ভারতে। তার পিছনে দেশে তৈরি করোনা ভ্যাকসিন দুটির অবদান অসামান্য।


সুত্র ঃ কলকাতা২৪x৭

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য