দ্বিতীয় ম্যাচেও ভরাডুবি ইস্টবেঙ্গলের

 

দ্বিতীয় ম্যাচেও ভরাডুবি ইস্টবেঙ্গলের
Image source

মুম্বই সিটি এফ সি ৩     এসসি ইস্টবেঙ্গল ০

(‌লে ফন্দ্রে ২, স্যান্টানা)‌


আইএসএলের প্রথম ম্যাচে এটিকে–মোহনবাগানের কাছে ডার্বিতে ২–০ ব্যবধানে হেরেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবার দ্বিতীয় ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসি–র বিরুদ্ধে জয়ের খোঁজে নেমেছিল রবি ফাওলারের লাল–হলুদ শিবির। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেও ভরাডুবি। সের্জিও লোবেরার দলের কাছে ৩–০ ব্যবধানে হারল রবি ফাওলারের ইস্টবেঙ্গল।

ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় ইস্টবেঙ্গল। পাঁচ মিনিটেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন লাল–হলুদ অধিনায়ক ড্যানিয়েল ফক্স। ফক্সের পরিবর্তে মাঠে নামেন রফিক। ২০ মিনিটে লে ফন্দ্রের গোলে এগিয়ে যান মুম্বই সিটি এফসি। গোল হজম করার পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন পিলকিংটন, মাঘোমারা। কিন্তু চোট পেয়ে ফক্সের বেরিয়ে যাওয়ায় লাল–হলুদ রক্ষণের দুর্বলতা বারবার ধরা পড়ে। প্রথমার্ধে শেষ হয় ১–০ ব্যবধানে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেনাল্টি থেকে মুম্বই সিটি এফসি–র হয়ে ব্যবধান বাড়ান সেই লে ফন্দ্রে। বক্সের মধ্যে ফন্দ্রেকে বাধা দেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার দেবজিত মজুমদার। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। স্পট কিক থেকে গোল করতে কোনও ভুল করেননি মুম্বই স্ট্রাইকার। ৫৯ মিনিটে স্কোর লাইন ৩–০ করেন হার্নান স্যান্টানা। তিন গোল হজম করার পর আর কোনওভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি রবি ফাওলারের দল। টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে।

ইস্টবেঙ্গলের খেলায় কোনও পরিকল্পনা ধরা পড়ল না। গত ৩০ অক্টোবর রবি ফাওলার দল নিয়ে অনুশীলন শুরু করেছিলেন। কিন্তু একমাস পরেই দলের খেলায় ফুটে উঠছে না তিনি কী কৌশল নিয়েছেন। অন্যদিকে মুম্বই দুটি গোল পেয়েছে কাউন্টার অ্যাটাকে। একটি ডেড বল সিচুয়েশনে।

লাল–হলুদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল রক্ষণ ও মাঝমাঠের মধ্যে কোনও সংযোগ নেই। মাঘোমা ও স্টেইনম্যান ছাড়া কারও পারফরম্যান্স বলার মতো নয়। পিলকিংটন দ্বিতীয় ম্যাচেও চূড়ান্ত ব্যর্থ। রানা ঘরামির জায়গায় নারায়ণ দাসকে রক্ষণে এনেও লাভ হয়নি। আর জেজেকে নামানো হল ৬৫ মিনিটে!‌ তখন ইস্টবেঙ্গল ৩ গোল খেয়ে বসে আছে।


সুত্র : আজকাল

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য