প্লে–‌অফ আমাদের হাতে নেই:‌ মর্গান, নাইটদের ভাগ্য এখন পরবর্তী ম্যাচের উপর নির্ভরশীল

প্লে–‌অফ আমাদের হাতে নেই:‌ মর্গান, নাইটদের ভাগ্য এখন পরবর্তী ম্যাচের উপর নির্ভরশীল
Image source - anandabazar

রবিবার রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে–‌অফের লড়াইয়ে নিজেদের সম্ভাবনা টিকিয়ে রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। আদৌও প্লে–‌অফের টিকিট আসবে কিনা, নির্ভর করছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের ওপর। মুম্বইয়ের কাছে যদি হায়দরাবাদ হারে তবেই প্লে–‌অফের ছাড়পত্র পাবে কলকাতা। কারণ কলকাতার নেট রান রেট খুবই খারাপ। প্লে–‌অফের ভাগ্য যে নিজেদের হাতে নেই, সেটা ভালই জানেন নাইট অধিনায়ক ইওন মর্গান।


লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং আপডেট থাকুন

রাজস্থানের বিরুদ্ধে জয়ের পর মর্গান বলেন, ‘‌রান রেটের ব্যাপারটা আমি জানতাম। কিন্তু তার আগে আমাদের জেতাটা জরুরি ছিল। আমি মনে করি রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আমাদের এর বেশি কিছু করার ছিল না। এখন বাকিটা আমাদের হাতে নেই।’ ১৯১ রান জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল বলে মনে করছেন মর্গান। তিনি বলেন, ‘‌যারা আউট হয়ে ফিরছিল, প্রত্যেকেই বলছিল উইকেট খুবই ভাল।

আমরা ১০ থেকে ১৫ ওভারের মধ্যে উইকেটগুলো হারিয়েছিলাম। তবে শেষটা খুব ভাল হয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল এই রানটা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল।’‌ জয়ের জন্য বোলারদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন মর্গান। তাঁর কথায়, ‘পাওয়ার প্লে–র মধ্যে ৪ উইকেট হারালে যে–‌কোনও দলের পক্ষে ম্যাচে ফেরা কঠিন হয়ে যায়। ‌দলের সামগ্রিক বোলিং খুবই ভাল হয়েছে। এক কথায় অসাধারণ। আমি মনে করি বোলাররা নিজেদের নিংড়ে দিয়েছিল।’‌

নাইটদের জয়ের অন্যতম কারিগর প্যাট কামিন্স। তাঁর মতে প্রতিযোগিতা যত এগিয়েছে নিজের পারফরমেন্স আরও উন্নত হয়েছে। কামিন্স বলেন, ‘‌রাজস্থানের বিরুদ্ধে প্রথম কয়েকটা বল ভাল করতে পারিনি। অফ স্টাম্পের ওপর বল করতে পছন্দ করি। সেভাবে বল করেই উইকেটগুলো পেয়েছি। কোনও কোনও দিন ভাল বোলিং করেও ভাগ্য সহায় হয় না। রাজস্থানের বিরুদ্ধে সবকিছু ঠিকঠাক হয়েছে। শুরুতে চাপে ছিলাম। প্রতিযোগিতা যত এগিয়েছে, চাপমুক্ত হয়েছি। নিজের বোলিংয়ের উন্নতি করেছি।’ শিবম মাভি, কমলেশ নাগারকোটি, বরুণ চক্রবর্তীদের প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নাইট বোলিং কোচ কাইল মিলস।

এদিকে, ৪ ম্যাচ পর প্রথম একাদশে ফিরতে পেরে খুশি আন্দ্রে রাসেল। তবে মরশুমটা ভাল যাচ্ছে না স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‌দু সপ্তাহ কঠিন সময় গেছে। তবে আবার প্রথম একাদশে ফিরতে পেরে ভাল লাগছে। আমি ঘামতে শুরু করলেই রক্ত গরম হয়ে যায়। যখনই এগিয়ে যাওয়ার কথা ভাবি, আউট হয়ে যাই। এটা দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাস হারাইনি।’‌


লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং আপডেট থাকুন


সুত্র : আজকাল

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য