ফ্রান্সের চার্চে হামলাকারীর পরিচয় কী?

ফ্রান্সের চার্চে হামলাকারীর পরিচয় কী?
Image source - jagonews24

ফ্রান্সের নিস শহরে ছুরি হামলায় নিহত হয়েছেন অন্তত তিনজন, আহত আরও অনেকে। বৃহস্পতিবার শহরটির নটরডেম ব্যাসিলিকায় এক যুবক ধারাল ছুরি নিয়ে হামলা চালালে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। হামলায় নিহতদের মধ্যে একজনকে শিরশ্ছেদ করা হয়েছে।

লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং আপডেট থাকুন

ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ এটিকে ‘ইসলামি সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন জানা গেছে, হামলাকারী পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ সূত্রে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, হামলাকারীর নাম ব্রাহিম আসোউই। ২১ বছর বয়সী এ যুবক কিছুদিন আগে তিউনিসিয়া থেকে ফ্রান্সে পৌঁছেছিলেন।

ব্রাহিমের কাছে ইতালীয় রেড ক্রসের কিছু কাগজপত্র ছিল। গত মাসে একটি অভিবাসী নৌকায় ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপে পৌঁছানোর পর সেগুলো ইস্যু করা হয়েছিল। বিবিসি জানিয়েছে, হামলার সময় ওই যুবক বারবার আল্লাহু আকবার বলছিলেন। এর কিছুক্ষণ পরেই তাকে গুলি করে পুলিশ।


আরও পড়ুন : ফ্রান্সের গির্জায় ছুরি দিয়ে মহিলার গলা কাটল আততায়ী, হত্যা আরও দুজনকে


ফরাসি সন্ত্রাসবিরোধী প্রধান কৌঁসুলী জ্য-ফ্র্যাঙ্কয়ে রিকার্ড জানিয়েছেন, হামলাকারীর কাছ থেকে একটি কোরআন শরীফ, দু’টি ফোন ও ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা একটি ধারাল ছুরি পাওয়া গেছে। তিনি বলেছেন, হামলাকারীর ফেলে যাওয়া একটি ব্যাগও পেয়েছি আমরা। ব্যাগের পাশে আরও দু’টি ছুরি ছিল। সেগুলো হামলায় ব্যবহৃত হয়নি।

এদিকে, নিস পরিদর্শন শেষে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ জানিযেছেন, চার্চ-স্কুলের মতো স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরাপত্তা সদস্যের সংখ্যা তিন হাজার থেকে বাড়িযে সাত হাজার করা হয়েছে। এছাড়া দেশজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এর আগে, চলতি মাসের শুরুর দিতে উত্তর-পশ্চিম প্যারিসের একটি স্কুলের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক স্যামিয়েল প্যাটি তার ক্লাসে মহানবী (স)-এর ব্যঙ্গচিত্র দেখান। এর জেরে তাকে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেন এক মুসলিম যুবক। পরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি।

এ ঘটনার পর ম্যাক্রোঁ ঘোষণা দেন, মুসলিমদের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও তার দেশ মহানবী (স)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করবে না। পরে দেশটির দু’টি সরকারি ভবনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় করে সেই বিতর্কিত ছবি দেখানো হয়।

লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং আপডেট থাকুন

এরপরই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা মুসলিম বিশ্বে। প্রিয়নবীকে অপমানের জবাবে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। দেশে দেশ ছড়িয়ে পড়ে ফ্রান্স বয়কটের ডাক। এমনকি, ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবিও উঠেছে অনেক জায়গায়।


সুত্র : জাগোনিউজ২৪

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য