আনন্দপুর কাণ্ডে নির্যাতিতার বক্তব্যে অসংলগ্ন তথ্য। অভিযুক্তের তথ্য গোপন করার চেষ্টা

 

আনন্দপুর কাণ্ডে নির্যাতিতার বক্তব্যে অসংলগ্ন তথ্য। অভিযুক্তের তথ্য গোপন করার চেষ্টা
এই সেই অভিযুক্তের গাড়ি

আনন্দপুর কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড় এনে দিল নির্যাতিতার বক্তব্য। মূল অভিযুক্তের নাম অমিতাভ বসু নয় অভিষেক পাণ্ডে। নির্যাতিতার তার সঙ্গে সম্পর্ক প্রায় ৫ বছরের। তদন্তের গভীরে গিয়ে অবাক করা তথ্য পুলিশের হাতে।

শনিবারের রাতে গাড়ি থেকে কার্যত ছুড়ে ফেলা হল তরুণীকে। রেহাই পেলেন না বাঁচাতে ছুটে আসা মহিলা নীলাঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়। অভিযুক্তের গাড়ি পিসে দেয় তাকেও। শনিবার রাতের কাণ্ডের ভয়াবহতার রেশ না কাটতেই আরও চমকে ওঠার খবর ঘটনা।

ঘটনার পর অভিযুক্তের তল্লাশ শুরু করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ৭৬টি গাড়ির মধ্যে থেকে সনাক্ত করা হয় অভিযুক্তের গাড়ি। সোমবার বাইপাস সনলগ্ন এলাকা থেকে ওই গাড়িটি উদ্ধার করে পুলিশ।

কিন্তু কে এই অভিযুক্ত? নির্যাতিতা জানান অভিযুক্তের নাম অমিতাভ বসু। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তাদের অল্প কয়েক দিনের আলাপ। তদন্তে নেমে অবাক পলিশ। অমিতাভ বসু নয় অভিযুক্তের আসল নাম অভিষেক পাণ্ডে।

অভিষেক পূর্ব যাদবপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে তার প্রায় ৫ বছরের পরিচয়। একসময় একসঙ্গে কাজও করেছেন দুজনে। দুজনের মধ্যে বিয়ের কথাবার্তাও কিছুদুর এগিয়ে ছিল। তবে অভিষেকের সঙ্গে সব চ্যাট এবং কল ডিটেল ফোন থেকে মুছে দেন নির্যাতিতা।

সোমবারই অভিষেকের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের করেছে উদ্ধারকারী মহিলা নীলাঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার। শনিবার ঘটনার পরেই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছিল পলিশ। এই নিয়ে জোড়া এফআইআরের ফাঁসে অভিষেক। কিন্তু পলিশকে ভাবাচ্ছে নির্যাতিতার ভূমিকা। কেন তিনি আর্তচিৎকার করেছিলেন। কি এমন ঘটনা ঘটেছিল গাড়ির মধ্যে সেদিন। কেনই বা ঘটেছিল মারামারির কোনো ঘটনা। নির্যাতিতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চলেছে পুলিশ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য