বিখ্যাত ফ্যাশন ডিসাইনার শর্বরী দত্তের অস্বাভাবিক মৃত্যু, বাথরুম থেকে উদ্ধার দেহ।

বিখ্যাত ফ্যাশন ডিসাইনার শর্বরী দত্তের অস্বাভাবিক মৃত্যু, বাথরুম থেকে উদ্ধার দেহ।
Image source - news18

বিখ্যাত ফ্যাশন ডিসাইনার শর্বরী দত্তের অস্বাভাবিক মৃত্যু। কড়েয়া থানা এলাকার ব্রড স্ট্রিটের বাড়ির বাথরুম থেকে উদ্ধার হয় তার মৃতদেহ। রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ বাথরুমে পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাস্থলে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

ডাকা হয় পারিবারিক বন্ধু ও চিকিৎসক অমল ভট্টাচার্যকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে কড়েয়া থানার পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা আসে। শর্বরী দত্তের ছেলে জানিয়েছে বুধবার রাতে খাওয়ার সময় তাদের সঙ্গে শেষ দেখা হয়েছিল। খাবার নিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে গিয়েছিলেন তিনি।বৃহস্পতিবার সারাদিন কোনো খবর না পাওয়ায় তারা মনে করেছিলেন হয়ত কোনো কাজে বাইরে গিয়েছেন। 

পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়ে গেছে এবং এক্ষেত্রে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ। শর্বরী দত্তের কানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। পুলিশ সুত্রে খবর আজকেই তারা দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাবে এন আর এস হাসপাতালে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই পুরো বিষয়টি পরিস্কার হবে।

এই ঘটনার তদন্তে পুলিশ শর্বরী দত্তের পুত্র ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে বুধবার তাদের মধ্যে শেষ দেখা হয় এবং তারপর সারাদিনই আর শর্বরী দত্তের সঙ্গে তাদের দেখা সাক্ষাত হয়নি। মুলত তারা এও জানিয়েছেন যে শর্বরী দত্ত নিজের মতই থাকতেন। শুধুমাত্র প্রয়োজনে তাদের মধ্যে দেখা সাক্ষাত বা কথাবার্তা হত।

শর্বরী দত্তের ছেলে অমলিন দত্ত জানিয়েছেন যে "তিনি সম্পূর্ণ সুস্থই ছিলেন। আমরা নিজেদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকি। ফলে সেক্ষেত্রে অনেকসময় হয়ত টানা দুদিন দেখা সাক্ষাত হয় না। একদম রাতে খাবারের সময় দেখা হল এটাই দস্তুর।"

তিনি আরও জানিয়েছেন "এটা স্বাভাবিক মৃত্যু বলেই আমার মনে হয়। কারন ৮০ বছর বয়সের একজন মহিলা তিনি।" বার্ধক্য জনিত কারনে এই ঘটনা বলে অমলিন বাবুর দাবি।

কিন্তু কী কারনে তারা সারাদিন আর খোঁজ নেননি একজন পরিবারের সদস্যের। প্রাথমিকভাবে পরিবার ভেবেছিল যে তিনি কোনো নিজের কাজে বেরিয়েছেন। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হোমিসাইড বিভাগের গোয়েন্দারা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য