এবার ভারতে ভ্যাকসিন ট্রায়ালের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ড্রাগ কন্ট্রোল

 

এবার ভারতে ভ্যাকসিন ট্রায়ালের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ড্রাগ কন্ট্রোল
Image source - Indianexpress

অক্সফোর্ডের ট্রায়াল বন্ধের পর এবার ভারতে ভ্যাকসিন ট্রায়ালের জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা জারি করল ড্রাগ কন্ট্রোল। এই মর্মে সিরাম ইন্সটিটিউটকে চিঠি পাঠানো হয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোল জেনারেল অফ ইন্ডিয়া-র অফিস থেকে। ভারতে পুনের সিরাম ইন্সটিটিউটের হাতে তৈরি হচ্ছে করোনা ভাইরাসের টিকা।

৮ই সেপ্টেম্বর ব্রিটেনে তৃতীয় দফার টিকার ট্রায়াল আচমকাই বন্ধ করে দেওয়া হয় এক স্বেচ্ছাসেবকের অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে। তবুও ভারতে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ট্রায়ালে চলছিল। 

ড্রাগ কন্ট্রোল জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (সংক্ষেপে ডিসিজিআই) পুনের সিরাম ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়াকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে যতক্ষণ পর্যন্ত না পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত অক্সফোর্ড কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের যে ট্রায়াল চলছিল সেই ট্রায়ালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল প্রয়োগ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

কারন অ্যাস্ট্রাজেনেকা (AstraZeneca) কোম্পানি যারা এই মূল ভ্যাকসিনের কাজটি করছে তারা বিদেশের বহু জায়গায় ট্রায়াল বন্ধ রেখেছে। যে খবর জানা যাচ্ছে যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ট্রায়ালের ফলে বিভিন্ন জায়গায় যাদের উপর এই প্রয়োগ করা হচ্ছে সেখানে এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

 ডিসিজিআই এর পক্ষ থেকে একটি অর্ডার জারি করা হয়েছে যেখানে বলা হচ্ছে সিরাম ইন্সটিটিউটকে সেফটি মনিটারিং (safety monitoring) এর বিষয়টি আরও ভালভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সেক্ষেত্রে কি কি ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে তার প্ল্যান অফ অ্যাকশান সম্বন্ধে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জানাতে হবে। পাশাপাশি একটি ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (clearance certificate) ইউ কে (UK)-এর ডেটা এন্ড সেফটি মনিটরিং বোর্ড (Data and Safety Monitoring Board) থেকে এনে জমা দিতে হবে ডিসিজিআই কে।

যেসব ভারতীয় স্বেচ্ছাসেবকের উপর এই ট্রায়াল চালানো হচ্ছে তাদের শরীরে যাতে কোনোরকম ক্ষতি না হয় সেই কারনেই ডিসিজিআই এর এই পদক্ষেপ। অর্থাৎ যতক্ষণ পর্যন্ত না ইউ কে থেকে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এসে পৌচাচ্ছে। ডিসিজিআই এর কাছে এটা স্পষ্ট হচ্ছে যে এই ট্রায়ালের ফলে ঠিক কি কি ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে এবং বিপদ ঠিক কতটা অর্থাৎ টিকার নিরাপদ হওয়ার ব্যাপার যতক্ষণ না প্রমান হচ্ছে ভারতে এই ট্রায়াল বন্ধ থাকবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য