অ্যাপের মাধ্যমে ভিড় নিয়ন্ত্রনের চিন্তা ভাবনা কলকাতা মেট্রো রেলের, মেট্রো - রাজ্য বৈঠক আজ

 

অ্যাপের মাধ্যমে ভিড় নিয়ন্ত্রনের চিন্তা ভাবনা কলকাতা মেট্রো রেলের, মেট্রো - রাজ্য বৈঠক আজ
Image Source - wikipedia

১৫ই সেপ্টেম্বর থেকে মেট্রো চালানোর ভাবনা, প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনার স্বার্থে আজ রাজ্যের সঙ্গে বৈঠকে মেট্রো কর্তৃপক্ষের। ঠিক কবে মেট্রো চলাচল শুরু হবে, কতগুলি রেল চলবে এবং কতক্ষন সময়ের মধ্যে সবকিছুই নির্ভর করছে মেট্রোর ভিড় নিয়ন্ত্রনের উপর। অর্থাৎ ট্রেনে যারা উঠবেন সেই যাত্রীদের কীভাবে নিয়ন্ত্রন করা যাবে যাতে কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মেনে চলা যায়। এই বিষয়টাই আজকের এই আলোচনার মূল বিষয়, রাজ্য এবং মেট্রোর তরফে যে টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে তার সদস্য দল এই বৈঠকে বসছে।

এক্ষেত্রে মূল যে আলোচনার বিষয়টা এখানে তৈরি হচ্ছে তা হল একটি অ্যাপ তৈরি করা। কী সেই অ্যাপ? যে অ্যাপের মাধ্যমে যদি যাত্রীদের ট্রেনে ওঠানামা নিয়ন্ত্রন করা যায়। 

কেন এই অ্যাপের ভাবনা? তার কারন স্মার্টকার্ডের ভিত্তিতে যদি ওঠানামা নিয়ন্ত্রন করতে হয় তাহলে মেট্রোতে স্মার্টকার্ড যতজন ব্যবহার করেন তার অর্ধেক সংখ্যক যাত্রীও যদি মেট্রোতে যাতায়াত করেন তাহলে কিন্তু সামাজিক দূরত্ব মানা সম্ভব হবে না। ফলে সেই জায়গা থেকেই অ্যাপের ভাবনা কার্যকর হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কীভাবে হবে এই অ্যাপের কার্যকলাপ?

বিভিন্ন রকম প্রস্তাব আসছে এই অ্যাপ কীরকম হবে, কীভাবে চলবে এর কার্যকলাপ। একটি নির্দিষ্ট সুত্রের খবর অনুযায়ী একটি উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব হল অ্যাপটার মাধ্যমে একজন যাত্রী টিকিট কাটবেন, সেক্ষেত্রে তিনি নির্দিষ্ট করে দেবেন যে কোন সময় তিনি ট্রেন ধরবেন এবং কোন স্টেশন থেকে কোন স্টেশনে তিনি যাবেন। ধরা যাক তিনি সকাল ১০.২০ সময়ে মহানায়ক উত্তমকুমার থেকে যাবেন রবীন্দ্র সরোবর তাহলে তিনি ঠিক সেই তথ্য দিয়ে টিকিট কাটবেন এবং সকাল ১০.২০ মিনিটের কিছু আগে তার ই-টিকিট দেখাবেন ও স্টেশনে প্রবেশ করবেন।

এখানে মেট্রোর তরফে যে সুবিধা গুলি থাকবে তা হল প্রথমত কতজন যাত্রী মেট্রো রেলে উঠছেন এবং স্টেশনে প্রবেশ করছেন সেই সংখ্যাটা নিয়ন্ত্রন করা যাবে। কারন অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট কাটা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী যেটা মেট্রো নির্ধারণ করবে সেই সময়ের জন্য। তার বেশি সংখ্যা হয়ে গেলে মেট্রো আর নতুন করে টিকিট ইস্যু করবে না সেই সময়ের জন্য।

দ্বিতীয়ত অন্য সময় সাধারন মূল প্রবেশ পথে কোনও যাত্রীকে আটকে দেওয়া হয় তাহলে সেখানে আরও যাত্রী যারা অপেক্ষা করবে তাদের মধ্যে বিক্ষোভ দেখা দিতে পারে। তাই আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, অযথা আগে থেকে দাঁড়ানোর যে হয়রানি এবং সামাজিক দূরত্ববিধি সমস্ত সমস্যার একটাই সমাধান হতে চলেছে এই অ্যাপের ভাবনা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য