প্রকৃত নিয়ন্ত্রনরেখায় উস্কানি এবং বিভিন্ন কৌশলে ভারতকে চাপে রাখার চেষ্টা চীনের, গত বিশ দিনে তিনবার চলল গুলি।

 

প্রকৃত নিয়ন্ত্রনরেখায় উস্কানি এবং বিভিন্ন কৌশলে ভারতকে চাপে রাখার চেষ্টা চীনের, গত বিশ দিনে তিনবার চলল গুলি।
Image source - matopath

প্রকৃত নিয়ন্ত্রনরেখায় বারবার উস্কানি ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা। গত কুড়ি দিনে তিনবার গুলি চলেছে এল ও সি (Line of Actual Control) অঞ্চলে। শুধু তাই নয় চীনা উস্কানি শুরু হয়েছে অরুণাচল প্রদেশেও। তবে ভারতীয় সেনা জওয়ান ও তৈরি রয়েছে যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য এবং তারা অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে বাঁধা দিয়ে চলেছে।

নিয়ন্ত্রনরেখায় লাগাতার চীনা উস্কানিমূলক ঘটনা। ২৯শে অগাস্ট থেকে ৭ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অন্তত ৪ বার আগ্রাসনের ঘটনা ঘটেছে। প্যাংগং লেকের দক্ষিনে হানা দেওয়ার চেষ্টা করেছে ড্রাগন সেনা বাহিনী। চলতি মাসের ৭ ও ৮ তারিখেও লেকের উত্তর দিকে হানার চেষ্টা চালায় চীনের লাল ফৌজ।

ফিঙ্গার ৩ এবং ফিঙ্গার ৪ এর সংযোগস্থলে ঘটেছে এই ঘটনা। আর তাতেই চুরমার ৪৫ বছরের রীতি। প্যাংগং এলাকায় চলে ১০০ থেকে ২০০ রাউন্ড গুলি। চুসুল এলাকায় দুপক্ষের সেনার মধ্যে ব্যবধান ৩০০ মিটারেরও কম। ফিঙ্গার ৪ এ এখনো চীনা বাহিনী ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে। যেখানে ফিঙ্গার ৪ থেকে ফিঙ্গার ৮ ভারতীয় ভূখণ্ডের অন্তর্গত।

তা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে চীনা সেনা এই ৪টি ফিঙ্গার পয়েন্ট দখল করে রেখেছে। যে এলাকায় গুলি চলেছে সেখানে দুপক্ষের সেনার মধ্যে দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার। ৭ই সেপ্টেম্বরের ঘটনা নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছে নয়া দিল্লি ও বেজিং।

এখানেই শেষ নয়। ভারতকে চাপে রাখার নিত্যনতুন কৌশল বের করছে চীন। অরুণাচল প্রদেশের কাছেও সেনা বাড়াচ্ছে পিএলএ (পিপলস লিবারেশন আর্মি)। প্রকৃত নিয়ন্ত্রনরেখার ২০ কিমি দুরেই এয়ারস্ট্রিপ ও পাকাপোক্ত ইমারত তৈরি করেছে চীন। উচ্চ অবস্থান দখল করতেই এই ফন্দিফিকির বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ভুটান সীমান্তেও সেনা জমায়েত বাড়িয়েছে চীন। গড়ে তোলা হয়েছে সামরিক পরিকাঠামো ও হেলিপ্যাড। ইতিমধ্যে থিম্পুকে চোখরাঙ্গানি দেওয়া শুরু করেছে বেজিং। লক্ষ্য একটাই যেনতেন প্রকারে ভারতকে চাপে রাখা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য